মূল অংশে যান

আসল কোরিয়ান স্কিনকেয়ার। ক্যাশ অন ডেলিভারি — খুলে দেখে, তারপর টাকা দিন।

জিংক: এক নাম, অনেক জিনিস

Zinc · Zinc PCA · Zinc gluconate · Zinc oxide · Topical zinc

লেবেলে "জিংক" একটা ছাতা নাম: জিংক অক্সাইড, জিংক পিসিএ আর অন্য জিংক যৌগের কাজ আলাদা। কতটা কাজ করে, তা ফর্মুলা আর ত্বকের সমস্যাভেদে আলাদা।

প্রমাণ: সীমিত

লেবেলে যে নামে থাকে (INCI): Zinc PCA, Zinc Gluconate, Zinc Sulfate

লেখা: Oliareen সম্পাদনা দলডাক্তারের রিভিউ: বাকিশেষ হালনাগাদ: ৬ নভেম্বর, ২০২৬আমরা কীভাবে লিখি

ভুল ধারণা বনাম আসল কথা

ভুল ধারণা
জিংক মানেই ব্রণের চিকিৎসা।
আসল কথা
না। সানস্ক্রিনের জিংক অক্সাইড রোদ আটকায়, ব্রণের ওষুধ নয়। জিংক পিসিএ তেল আর লালচে ভাবে সামান্য সাহায্য করতে পারে, কিন্তু ত্বকে লাগানো জিংকের প্রমাণ দুর্বল। মুখে খাওয়ার জিংক ডাক্তারের বিষয়।

এটা কী

লেবেলে কয়েক রকম জিংক দেখবেন। জিংক অক্সাইড (Zinc Oxide) মিনারেল সানস্ক্রিনের ফিল্টার। জিংক পিসিএ (Zinc PCA) আর জিংক গ্লুকোনেট তেল নিয়ন্ত্রণ বা ব্রণপ্রবণ ত্বকের কসমেটিকে থাকে। নাম এক হলেও কাজ আলাদা।

কী করে

জিংক পিসিএ প্রদাহ আর ব্যাকটেরিয়া কমাতে এবং তেল কিছুটা কমাতে পারে বলে ধারণা, আর PCA অংশটা পানি ধরে রাখে। তবে এর গবেষণা ছোট আর ফল মাঝারি। জিংক অক্সাইডের কাজ সম্পূর্ণ আলাদা, তা মিনারেল সানস্ক্রিন পেজে আছে।

লেবেলে কোন জিংক কী

  • Zinc Oxide: মিনারেল সানস্ক্রিনের UV ফিল্টার। রোদ আটকায়।
  • Zinc PCA, Zinc Gluconate: তেল আর লালচে ভাব কমানোর কসমেটিক উপাদান; প্রমাণ দুর্বল।
  • মুখে খাওয়ার জিংক: সাপ্লিমেন্ট বা ওষুধ, নিজে শুরু না করে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।

যেসব ক্ষেত্রে আলোচনায় আসে

এর মানে এই নয় যে এই ত্বক বা সমস্যার সবার এটা লাগবে।

ত্বকের ধরন

কীভাবে শুরু করবেন

জিংক পিসিএ সাধারণত টোনার, সিরাম বা ময়েশ্চারাইজারে থাকে; পণ্যের নির্দেশনা মেনে চলুন। জিংক অক্সাইড সানস্ক্রিনে থাকলে সানস্ক্রিনের নিয়মে (যথেষ্ট পরিমাণে, বাইরে থাকলে আবার) লাগান।

সকাল নাকি রাত

জিংক পিসিএ সকাল বা রাত, যেকোনো সময়। জিংক অক্সাইড সানস্ক্রিন সকালে রুটিনের শেষ ধাপ।

নতুনদের জন্য

এটা সাধারণত সহজে মানিয়ে যায়, তবু নতুন যেকোনো পণ্য আগে প্যাচ টেস্ট করে নিন। একসাথে অনেক নতুন জিনিস শুরু করবেন না, তাহলে কোনটায় সমস্যা হলো বোঝা যায় না।

এটা সাধারণ শিক্ষামূলক তথ্য, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসা নয়।

যার সাথে সাধারণত চলে

এগুলো উদাহরণ, সবার জন্য নিশ্চিত জুটি নয়।

যেখানে সাবধান থাকবেন

একসাথে অনেক অ্যাকটিভ লাগালে জ্বালা বাড়ে। কোনো ওষুধ চললে নতুন অ্যাকটিভের আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।

  • ঝুঁকি কম
  • গর্ভাবস্থায় নিরাপদ

কী সমস্যা হতে পারে

এতে সমস্যা কম হয়, কিন্তু যেকোনো উপাদানে অ্যালার্জি হতে পারে, আর সমস্যাটা অনেক সময় ফর্মুলার অন্য উপাদান (যেমন সুগন্ধি) থেকে আসে। লাল ফুসকুড়ি, চুলকানি বা জ্বালা হলে বন্ধ করুন। মুখ, ঠোঁট বা চোখ ফুলে গেলে কিংবা শ্বাস নিতে কষ্ট হলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান।

কখন ডাক্তার দেখাবেন

প্রমাণ আর সময়

প্রমাণ
প্রমাণ: সীমিত
পরিবর্তন দেখতে সাধারণত
৪ সপ্তাহে

প্রমাণ আসে নির্দিষ্ট ফর্মুলা আর শক্তি নিয়ে করা গবেষণা থেকে। আপনার পণ্যের ফল আলাদা হতে পারে।

যা সবাই জিজ্ঞেস করে

জিংক অক্সাইড আর জিংক পিসিএ কি একই?

না। জিংক অক্সাইড রোদ আটকানোর ফিল্টার; জিংক পিসিএ তেল নিয়ন্ত্রণের কসমেটিক উপাদান।

ব্রণের জন্য কি জিংক ট্যাবলেট খাব?

নিজে থেকে নয়। মুখে খাওয়ার জিংক নিয়ে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন; বেশি খেলে ক্ষতি হতে পারে।

মিনারেল সানস্ক্রিনে সাদা আস্তর পড়ে কেন?

জিংক অক্সাইড আলো ছড়িয়ে দেয়, তাই শ্যামলা ত্বকে সাদা দেখাতে পারে। টিন্টেড ফর্মুলা এই সমস্যা কমায়।

এরপর পড়ুন

← সব উপাদান

তথ্যসূত্র

  1. Gupta M et al. Dermatol Res Pract 2014
  2. Brandt S. J Drugs Dermatol 2013 (SORT B)
  3. Cervantes J et al. Dermatol Ther 2018 meta-analysis (zinc and acne)